শনিবার, ১২ জুলাই, ২০১৪

তোমার পুরোটাই আমার

ছিল চায়ের কাপে ঠোঁট
ছিল ঘুম ঘুম দুপুর
শিরায় শিরায় তোমার স্রোত

ছিল আধ ঘণ্টা ছুটি
ছিল সিগেরেটে সুখ
ছিল ব্যস্ত পা
এই বুঝি দৌড়

কানে বাজছে একটা কথা
তোমার পুরোটাই আমার

চাঁদ তারা এনে দেয়া এখন আর কোন ঘটনাই না
পুরো পৃথিবীটাই বুকপকেটে বাধা

কানে বাজছে একটা কথা
তোমার পুরোটাই আমার

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

প্রথম চোখ

তোমার ভীত হাত টিস্যু ছেড়ে
আমার চোখ সরাতে পারেনি তোমার দুশ্চিন্তারা।
চুল উড়ে যায় জুনের সাত এ
শুকনো শরীরে প্রেম নাড়িয়ে।

আমি তো বসে ছিলাম আগ্রহের চূড়ান্তে
তুমি কেন দেখছিলেনা আমায়?
কি দোষ ছিল ঠোঁট দুটোর
কিসের এতো দ্বিধা তোমার ঠোঁটে?
বেশি কিছু তো আমার ছিল না চাওয়ার।
অবেলার রোদে গা পুড়িয়ে
একশ মাইল দূরে আমার পা ফেলা।
কিসের এতো অঙ্ক ছিল শরীরে
কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা??

কি দোষ ছিল ঐ ব্রিজটার
একটু পা ফেললে কি এমন হয়ে যেত?
একটু হাত ধরে দাড়াতে গা ঘেঁষে,
না হয় তুমি আধ কি এক ইঞ্চি লম্বা,
তা বলে কি
শরীরে তো প্রেম খুজিনি
প্রেম ছিল সব মনে।


কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা?? 

তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
ঝিরিঝিরি হাওয়া এসে
প্রেম ওড়ে লাল জামায়

তাও তুই ছিলি বলে
রোদ এসে কড়া নেড়ে
ভবিষ্যৎ চশমার ফাঁকে

তাও তুই
তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
আমার আলস্য কিছুক্ষণ ফোনে আড়ি পাতে
দুশ্চিন্তার দল পথ ভুলে অন্য গলিতে

তাও তুই


রবিবার, ১ জুন, ২০১৪

আমার জানা ছিল না

একই লাইনে দুটো রেল চলতে পারে কিনা আমি জানিনা
আমি জানতাম না
আমার জানা ছিল না।

কারো হাজার অপেক্ষা
কথার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষার মাঝেও
অন্য কারো চুপ করে বসে থাকা
একটা পছন্দও
রাতের বারান্দায় ঢুকতে পারে আমার জানা ছিল না

এ যেন একটা দ্বৈত চরিত্র
একই সাথে হাঁটছে, ঘুমাচ্ছে
কোনটা আমার আমি নিজেও জানিনা
এটা একদিকে অপরাধ
অন্যদিকে সত্য।

কোন ছায়ায় আমি ঢুকছি, বের হচ্ছি
প্রত্যেকটা পথ আমার কাছে অসংখ্য আশ্চর্যবোধক চিহ্নের সমাহার
সঠিক, বেঠিকের একটা প্রশ্ন
আমাকে প্রতি সেকেন্ডে আমার থেকে আড়াল করে
আরেকটা আয়নার, আরেকটা সত্যের মুখোমুখি দাড় করায়
আমি ঠিক এই সময়ে আমাকে না চেনার ভান করে
অথবা আসলেই চিনতে না পেরে
দ্বিধার নদীতে ছিপ ফেলছি

কি ঘটছে ভেতরে আমার, আমি জানি না
আমি জানতাম না এসব কিছুই
আমার জানা ছিল না



শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

তুমি আমায় নিয়ে গেছ

কখনো তুমি আমায় নিয়ে গেছ স্বপ্নে
কখনো ভয়ে ভয়ে আমি মৃত্যু দিন গুনছি
কখনো মানবতা নিষ্প্রাণ
ধর্ষিত মানচিত্র

নিয়ে গেছ আমায়
সেসব পিতৃ পরিচয়হীন ভূখণ্ডে
যেখানে ঘরে ঘরে, মোড়ে মোড়ে
যুদ্ধ বেঁধেছে ভিন পতাকা নিয়ে
যেখানে মানুষ রেকর্ডে নাচে, বাঁচে
যেখানে জাতীয় সঙ্গীত বিক্রি হয়েছিল সস্তা দামে, মিথ্যে আবেগে
যেখানে চাকরের তকমা গায়ে আঁটতে দলীয় সার্টিফিকেট আবশ্যক
যেখানে আগা গোঁড়াই মিথ্যে

নিয়ে গেছ ওইসব রাস্তায়
যেথায় গাড়ির চাকায় দারিদ্র্য বঞ্চিত

তুমি আমায় নিয়ে গেছ
যাদের মেইল বক্সে আকাশের ঠিকানা লেখা আছে
যারা এখনো মাটির নাগাল পায়নি
সেসব লোকেদের ভিড়ে

তুমি আমায় নিয়ে গেছ
তুমি আমায় নিয়ে গেছ হাতে হাত ধরে
ফেলে এসেছ একলাই

অনেক খুঁজেছি তোমায় ঈশ্বর
অনেক খুঁজেছি
তুমি ভয়ে পালিয়েছ
এ মিথ্যের রাজ্য ছেড়ে

আমিও তো ছিলাম
কেন তবে আমায় একলা ফেলে চলে গেলে

সত্যিই বলবো

বলবো একটা সত্য
আজ নয়
কোন একদিন
তোমাদের চোখে, কানে

লাখো বিন্দুর অপেক্ষায়
দৃষ্টির প্রার্থনায়
আগ্রহের অসীমে

বলবো
সত্যিই বলবো
একদিন

সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪

ফুলস্টপ

তোর হাসির মোড়ে মোড়ে আমার শহর থমকে দাঁড়ায়
ল্যাম্পপোস্টহীন কোন এক রাস্তায়।
তোর শরীরে জমে থাকা প্রাচীন গন্ধ মুছতে গিয়ে
প্রেম লাগলো আমার গায়।
বেলকনির প্রত্যেকটা গ্রিলে গ্রিলে আমি কান পেতেছি
চীনের দেয়াল থেকে উড়ে আসা কিছু নিরবতায়।

অনন্তকালের ওয়েটিং রুম তোর হাওয়ায় ফুলস্টপ
টক টাইম এর বিনোদনে পকেট খরচ ননস্টপ।
আজকের জলে তুইও কিছুটা মিশ্রিত
বিজ্ঞানের পাতায় বাঁকে বাঁকে প্রমাণিত।

আধ্যাত্মিকতায় বাস্তবের হিমালয় জুড়ে
আমার ভেতর তেড়েফুঁড়ে
আমায় চুরি করে
দিব্যি ঘুমাচ্ছে তোর দিন রাত।


শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

গ্রীষ্ম গল্প

ভুল করে আসা বাতাসে গা জুড়ায়
গ্রীষ্ম তার সুউচ্চ শৃঙ্গে
উৎপাদক গরম ঘাম ঝরায়
ফুটোর আগমন ছাতার মাথায়

সানগ্লাসের ভূমিকা অনস্বীকার্য
স্যান্ডেলের তলা গরম পিচে
খোলা রাস্তায় মরীচিকা চোখ
চাই আরো অনেক জল

চুল ছোট করে মাথা ঠাণ্ডা
পাউডারটার এখন খুব প্রয়োজন

লোকাল বাসে শরীরে, শরীরে
ঘামে ঘামে ভালোবাসা
উফফ কি গন্ধ...
ভালোবাসা বউয়ের জন্য রাখেন
ভাই, প্লিজ একটু সাইড দেন

বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

এটাই আমার শহর

এই শহরের আলোর নিচেও আঁধারের আড্ডা
সত্য বাবুর প্রস্থান লেখা আছে রাস্তায় রাস্তায়, ফুটপাতে
স্বপ্নেও মিথ্যের দৌড়ঝাঁপ
অনেকটা কফির গ্লাসে মদ
অথবা মুখ ফর্সা পা কালো
অথবা বর্ষার রাস্তায় আজীবন উন্নয়ন
অথবা শরীরে শরীর মেশানো ভালবাসা
যখন স্বপ্নের দল ভীত চোখে
ঘুমিয়ে গেছে বালিশ পত্তরে
যখন তুমি আমি বিক্রি হয়েছিলাম
কোন এক কাগজ কোণে
মেধা বিক্রির এক আদিম কৌতূহলে
ওরা যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিক্রি করেছিল পিঠে সাইনবোর্ড একে
যখন পাবলিক প্রাইভেট
এমন আরো অনেক নাক সিটকানো বিতর্ক
চায়ের কাঁপটাকে ঠোঁটের কাছে অযথাই ধরে রেখেছিল
যখন টাকা দিয়ে সবাই ব্যাগ ভর্তি ভালবাসা কিনেছিল
যখন এমন অনেক ইতিহাস রাস্তার ধুলোবালিতে ঘুমিয়ে গেছে
তখনো আমরা এই শহরে বেঁচে আছি
রঙে, গন্ধে, রুপে
যার সবটাই ছিল লোক দেখানো পহেলা বৈশাখ
জানত, সবাই জানত
সেই মৃতপ্রায় চিড়িয়াখানায় অনেক স্মৃতিই হেডফোনে আড়ি পাতে
অনেকটা এফ এম এর মত বক বক
টকশোর মত মিথ্যে
অথবা সুর বিহীন গানে অযথা বাদ্য
তবুও ওরা শুধু ড্রামের কর্কশে কান রেখে কিসব হই হুল্লোড়

এটাই আমার শহর
এখানেই আমার দিন, রাত হয়

সোমবার, ১২ মে, ২০১৪

ভালোবাসি

কান বেঁয়ে মনে আনাগোনা দিন কয়েক হল
ভাগ্যের কপালে টিপ রয়ে গেছে এখনো
না বোঝানোর যতই ছলাকলা
ভেতর ভেতর অন্য আমি

আজ সত্যের ঢেউয়ে তোর জলের গান
লাল নীল বারান্দায় ডুবে গেছে কান
তোর মনের খুব কাছে মেঘ হয়ে ভাসি
যা বলিস তাই, আমি কিন্তু রাজি
ভালোবাসি
ভালোবাসি

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০১৪

থাক, আজ না হয় থাক

কিছু সুর স্তব্ধ
কিছু রঙ গন্ধ
কিছু কবিতায় তারা খসে যাওয়া
কোন আলোআঁধারিতে

আমার মনের দেয়াল জুড়ে তুই তুই সারাক্ষণ
তবুও কিছু শব্দ হারিয়ে গেছে অবেলার যানজটে
বলতে চেয়েও বলা হল না আর
থাক, আজ না হয় থাক
থাক, আজ না হয় থাক

শোনা সহজ, মানা কঠিন
আমারও মানতে গা জ্বালা করে
তবুও বদলে যাওয়া পৃথিবীই আমার প্রার্থনা
রোজকার আধারে তাই তোকেই আলো ভাবা
কিছু উষ্ণ অনুভূতির ভিড়ে তোর হারানোর গল্প হারিয়ে যাক
থাক, আজ না হয় থাক
থাক, আজ না হয় থাক

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

একফোঁটা জল এনে দে

একফোঁটা জল এনে দে
যাতে থাকবে প্রাপ্তির ঠিকানা
ছুঁয়ে দে আমায়
ভুগছি বহুকাল না পাওয়ায়

ধুয়ে দে আমায়
ছুঁয়ে দে

আমি এই সাগরের বিশালে হেঁটেছি অনেকবার
জলের কাছে গিয়েছি
ডুবে যেতে ছেয়েছি

একফোঁটা জল এনে দে
ধুয়ে দে আমায়
ছুঁয়ে দে 

শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৪

মাইক্রোস্কোপ

আমরা আসলে হাঁটছি একটা সিনেমার ভেতর, একটা আত্মজীবনীর ভেতর। প্রতিটা সময় আমরা যা করছি তা লেখা হচ্ছে কোন এক খাতায়। এগুলো একেকটি স্থিরচিত্র, পুরোটা জুড়লেই একটা বা অসংখ্য সিনেমা। আমাদের এই অনন্তকাল ধরে হেঁটে চলার প্রকৃত মানে কি তা হয়তো আমরা কেউ জানিনা। তবু আমরা হাঁটছি নতুনের স্বপ্নে, পুরনোকে খুঁজতে। এই হাঁটার মাঝেই নতুন গল্প জুড়ছে সিনেমায়। যুদ্ধ, সন্ধি, ভালবাসা সব এই ভেসে বেড়ানরই একেকটা প্রতিশব্দ। ছোট থেকে বড় হচ্ছি, বুড়ো হচ্ছি, শেষমেশ না ফেরার দেশে চলে যাচ্ছি। তবে জন্ম দিয়ে যাচ্ছি ইতিহাসের, গল্পের, গানের, কবিতার। আমরা যদি আমাদের একদম শেষের দিনগুলোতে তাকাই, যখন হয়তো অপেক্ষায় থাকবো যেকোন মুহূর্তে মৃত্যুকে জড়িয়ে ধরার। তখন আমরা কি চাই? চাই আমাদের কাছের মানুষগুলোর নিরাপদ ভবিষ্যৎ। তখন আমার আর কিছু চাইবার নেই। কোন বিলাসবহুল বাড়ি, দামি গাড়ি, কিছুই চাইবার নেই। আরেকটা জিনিস হয়তো আমরা সবাই চাইব, তা হল ভালবাসা। এই একটা জিনিসের কাছে বন্দি আমরা, এটা কেনা যায়না। কিন্তু খুব কম মানুষই ভালোবাসা নিয়ে মরে। পৃথিবীতে কয়েক ধরনের মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে চাহিদার নিক্তিতে। এক, যারা শুধু বাঁচতে চায়। দুই, যারা আভিজাত্য চায়। তিন, যারা সম্মান চায়। চার, যারা ভালোবাসা চায়। প্রথম দুই শ্রেণির লোক এই পৃথিবীর পরিবর্তনে কোন ভুমিকা রাখে না, এরা শুধুই নিজেদের, হয়তো পরিবারের, কিন্তু কখনই সমাজের নয়, পৃথিবীর নয়। এরা হিসেবে খুব ভালো, খুব দ্রুত গননা করতে পারে। তৃতীয় শ্রেণির লোকেরা সৎ, কর্মঠ। এরাও পরিবর্তনে বিশ্বাসী নয়। এদের বড় একটা গুণ হল এরা মানুষের উপকার না করলেও ক্ষতি করে না। চতুর্থ শ্রেণির লোকই এ পৃথিবীতে বেশি প্রয়োজন, কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য এ শ্রেণির লোক পৃথিবীতে খুব কম। এরা সবসময় রেয়ার পিস। হয়তো হাজারে একটা, হয়তো লাখে একটা, হয়তো কোটিতে। এ মানুষগুলো এমন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে যেখানে মানুষের মাঝে কোন বিভেদ থাকবে না, বৈষম্য থাকবে না। মানুষের একটাই পরিচয় থাকবে, সে মানুষ। এখানে তার ওজন মাপা হবে, সে কতটুকু ভালবাসতে পারে তার ওজনে, টাকার ওজনে নয়। এখানে তার উচ্চতা মাপা হবে তার মানসিক উচ্চতা দিয়ে, তার বাড়ির উচ্চতা দিয়ে নয়। এই চতুর্থ শ্রেণির মানুষগুলো যেকোন মূল্যে শান্তির পক্ষে, এরা কাউকে কষ্ট দিতে পারে না, কারো উপর রাগ ধরে রাখতে পারে না। খুব সহজেই ভুলে যায়, ক্ষমা করে দেয়। এরা প্রচণ্ড ক্ষমাশীল, কারণ, এরা অনেক বড় সপ্নবাজ। এদের স্বপ্ন এ পৃথিবীর চেয়েও অনেক বড়, স্বপ্নের ভেতরই হাটে এ মানুষগুলো। তাই এদের কাছে অপরের সৎ গুনগুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই মানুষগুলো অনেকটা শিশুর মত, কোমল, নরম। এরা সদা তরুন, সবুজ। আপনি যদি এই চতুর্থ হয়ে থাকেন, তবে একটা কথা, আপনি কত টাকা কামাবেন তা জানিনা, কিন্তু, মানুষ আপনাকে কখনই ভুলবে না। বিপদের সময় যদি কারো কথা মনে ভাসে, তাহলে সে আপনি। আরেকটা কথা, মনে রাখবেন, সৃষ্টিকর্তা আপনাকে প্রচণ্ড ভালবাসেন। তাই হাসুন, ভালবাসুন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৪

হাইওয়ে

লং ড্রাইভ, একা ঘড়ি
লাল সবুজ আশার স্রোতে
ছুটছি স্বপ্নের হাইওয়ে
ছুটছি দূর বহুদূর
স্বপ্নে বুদ, স্বপ্নে চূড়

উত্তর জ্বলে, উত্তর নেভে
প্রশ্নের ভিড় রাতভর
শুন্য অংক, রঙিন বাতি
প্রতিদিন,প্রতিরাতে আঁকি

হাইওয়ে ক্লান্ত, শ্রান্ত
ঘুমায় দিনশেষে
আমরা কি আজো পেয়েছি খুঁজে সে স্বপ্নের রেখা?
নাকি পরে আছি রেড সিগন্যালে

কিছু কথা সাইরেন হয়ে বাজবে

নিশ্চুপে কিছু কথা মিলিয়ে যাবে, কেউ জানবে না
যেখানে অজস্র ব্যর্থ প্রেম এসে জড়ো হয়
যখন সুখ আর দুঃখের ঠিক মাঝখানে কেউ একজন দাড়িয়ে
তখন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা

সুতোয় টান লাগে, ঘুড়ি উড়ে যায়
শব্দের শেকল ভাঙবে বোধহয়,
 চুরি যাবে ভালবাসা

তবু জেনে রেখ, কিছু কথা সাইরেন হয়ে বাজবে। 
 

স্টিল সিঙ্গেল




জানি একদিন সকালের ঘুম,
তুমি আঙুলের ডগায় ছুঁয়ে দেবে 
চুল নাড়বে আর বলবে 
ওঠো, ঘুমাবে আর কত
দুপুরের ব্যস্ত পকেট পেরিয়ে 
তোমার কল আমার কানে বলবে 
হ্যালো, খেয়েছ
এখনো খাওনি?
কেন?
কিসের এত কাজ তোমার
বিকেলের শেষ চায়ে 
তোমার অপেক্ষা বাড়বে 
বলবে, চলে এসো তাড়াতাড়ি 
আজ কিন্তু রাতে 
শুধু আলুভর্তা আর ডাল 
আমি বলব
তাতে কি?
তোমার আঙুলের ঘ্রান তো পাবো
সন্ধ্যেবেলার ক্লান্ত হাওয়ায় 
আমি ঘড়ির কাটা গুনব,
ঠিক রাত নটায়,
কলিংবেলে খুঁজব তোমায়
এরপর হয়ত ভাতের প্লেটে ভালবাসা গুনব
টিভির রিমোটে সুখ
এক,দুই,তিন করে আরো কিছুটা সময়,
রাত টা আস্তে আস্তে  সকাল খুঁজতে থাকবে
জেগে থাকব তুমি আমি,
দরজার সিটকিনিতে ঝুলিয়ে রাখব ভালবাসা
আতশ কাঁচে দেখব তোমায় 
শুঁকব পৃথিবীর যত আছে ঘ্রান  

এতক্ষণ যা বলছিলাম 
সবই শুধু কল্পনা 
বাস্তব দেয়ালে কবে লেখা হবে  জানি না
একটা কথা জানি 
আজও একা আছি 
রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস 
স্টিল সিঙ্গেল 

কবে যে তুমি নামক তোমায় খুঁজে পাব
কোন দূরবীনে দেখলে
জানি না
তবু ঐ দিনটার ভাবনা আমায় জুড়ে আছে

টাইমলাইন




সময়ের ছায়ার সাথে হাঁটছে তোমার ছায়া
পরিপক্ক সব অভিজ্ঞতা
সত্য মিথ্যার খাতায় শুধু আঁচর কয়েকটা

কিছু আধ ঘুমে দেখা সপ্ন
আজও দেখা যায় রাস্তার ধারে,
সবাই যে যার মত গুছিয়ে নিয়েছে 
পৃথিবী কখনই থেমে থাকবে না

আবার সবাই এই পথেই হাঁটবে
একটু সময় পর,
সূর্য প্রতিদিনই উঠবে
তুমি নিশ্চিত থেকো