মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৫

১৯০.৬



সব আয়নায় সব ছবি দেখা যায় না
মৃত গাছ হেসে ওঠে
মেক-আপের সময়ে সব সম্ভব  
দৃশ্যগুলোকে পেছন থেকে টানলে
নদী শুকিয়ে যায়
জল যতসব ভুল ঠিকানায় জমা দিয়ে এসে
তুমি বেঁচে থাকার মানে খুজে ফিরো
সেসব ডিকশনারিতে ভুল মানে দেয়া থাকে
যেগুলো তোমার সালোকসংশ্লেষণ
রাত পোহালেই খবর আসে
এক ভোরের শীতে
১৯০.৬ কিলোমিটার দূরে তুমি ঘুম ভেঙে উঠে দেখো 
তুমি যা ভাবছো তা তুমি নও
সবার সামনে যাকে ভালোবাসতে পারোনি
তাকে বুকের ভেতরেই জড়িয়ে রেখো

শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

তারপর থেকে কোন বাক্য আসে না



একদিন........................
এবং তারপর থেকে কোন বাক্য আসে না
যেখানে গিয়ে থামার কথা ছিল
তার বহু আগে শীতের সন্ধ্যে হিম হয়ে আসে  
ছাতায়,মাথায়,কাথায়
শুধু ডিজিটের ছড়াছড়ি

ঠিক তখনই অথবা তার একটু পর,
প্রেম-এসব ছাইপাশ গেলা বন্ধ
ভালবাসা-যা নেই তা নিয়ে আর কেন বাক্য ব্যয়
হিসেব-আজকাল সুখের সহবাস

দেয়ালে দেয়ালে কিছু শব্দ ঝুলছে
আটপৌরে, ভবিষ্যৎ, টাকা, ডিগ্রি, চাকরী, দায়িত্ব।।

দুপুরের রেডিও তে অনুপম- 'আমাকে আমার মত থাকতে দাও'
  


২০.১২.১৫ 


রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫

০৭/১১/১৫

নীল সমুদ্রের মত ভেসে যাওয়া আকাশে
যে তারাদের আলো
তা এ শরীরে ফিকে হয়ে আসে
ভুল চোখে আড়ি পাতে গত শতকের চাঁদ

সে সময় ফেলে চলে গেলে
অতীত কাগজে ধুলো ফেলে
সেই রাত,নদী,জল,ফুল ফিরে পাওয়া যায় না
মাথার চারপাশে দ্রুত ছুটে যায়
এ দুহাত ছুঁতে পারে না

সাপের মত শরীর ঠাণ্ডায় এলোমেলো
ঝাপসা চোখে যা ভেসে ওঠে
তাতে তুমি খুনী
তলোয়ারে আমায় কাটো
ফুঁপিয়ে কাঁদো
কিন্তু একা ফেলে চলে যাও

যে হাতে সব রেখা তোমার
সে হাত মনে রাখোনি
একদিন ভাঙবে কান্নায়
খুব চাইবে সে হাত

ভীতুদের কোন দেশ নেই
হাতে রক্ত
অন্তরে খুন
বারবার মৃত বুকে জন্মাও

সাহসীরা তলোয়ারে কাটে না
আরো আলো ছড়ায়
যে ফিরে আসে না
সে আমার ছিল  না
তোমার ছিল না





শনিবার, ১২ জুলাই, ২০১৪

তোমার পুরোটাই আমার

ছিল চায়ের কাপে ঠোঁট
ছিল ঘুম ঘুম দুপুর
শিরায় শিরায় তোমার স্রোত

ছিল আধ ঘণ্টা ছুটি
ছিল সিগেরেটে সুখ
ছিল ব্যস্ত পা
এই বুঝি দৌড়

কানে বাজছে একটা কথা
তোমার পুরোটাই আমার

চাঁদ তারা এনে দেয়া এখন আর কোন ঘটনাই না
পুরো পৃথিবীটাই বুকপকেটে বাধা

কানে বাজছে একটা কথা
তোমার পুরোটাই আমার

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

প্রথম চোখ

তোমার ভীত হাত টিস্যু ছেড়ে
আমার চোখ সরাতে পারেনি তোমার দুশ্চিন্তারা।
চুল উড়ে যায় জুনের সাত এ
শুকনো শরীরে প্রেম নাড়িয়ে।

আমি তো বসে ছিলাম আগ্রহের চূড়ান্তে
তুমি কেন দেখছিলেনা আমায়?
কি দোষ ছিল ঠোঁট দুটোর
কিসের এতো দ্বিধা তোমার ঠোঁটে?
বেশি কিছু তো আমার ছিল না চাওয়ার।
অবেলার রোদে গা পুড়িয়ে
একশ মাইল দূরে আমার পা ফেলা।
কিসের এতো অঙ্ক ছিল শরীরে
কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা??

কি দোষ ছিল ঐ ব্রিজটার
একটু পা ফেললে কি এমন হয়ে যেত?
একটু হাত ধরে দাড়াতে গা ঘেঁষে,
না হয় তুমি আধ কি এক ইঞ্চি লম্বা,
তা বলে কি
শরীরে তো প্রেম খুজিনি
প্রেম ছিল সব মনে।


কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা?? 

তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
ঝিরিঝিরি হাওয়া এসে
প্রেম ওড়ে লাল জামায়

তাও তুই ছিলি বলে
রোদ এসে কড়া নেড়ে
ভবিষ্যৎ চশমার ফাঁকে

তাও তুই
তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
আমার আলস্য কিছুক্ষণ ফোনে আড়ি পাতে
দুশ্চিন্তার দল পথ ভুলে অন্য গলিতে

তাও তুই


রবিবার, ১ জুন, ২০১৪

আমার জানা ছিল না

একই লাইনে দুটো রেল চলতে পারে কিনা আমি জানিনা
আমি জানতাম না
আমার জানা ছিল না।

কারো হাজার অপেক্ষা
কথার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষার মাঝেও
অন্য কারো চুপ করে বসে থাকা
একটা পছন্দও
রাতের বারান্দায় ঢুকতে পারে আমার জানা ছিল না

এ যেন একটা দ্বৈত চরিত্র
একই সাথে হাঁটছে, ঘুমাচ্ছে
কোনটা আমার আমি নিজেও জানিনা
এটা একদিকে অপরাধ
অন্যদিকে সত্য।

কোন ছায়ায় আমি ঢুকছি, বের হচ্ছি
প্রত্যেকটা পথ আমার কাছে অসংখ্য আশ্চর্যবোধক চিহ্নের সমাহার
সঠিক, বেঠিকের একটা প্রশ্ন
আমাকে প্রতি সেকেন্ডে আমার থেকে আড়াল করে
আরেকটা আয়নার, আরেকটা সত্যের মুখোমুখি দাড় করায়
আমি ঠিক এই সময়ে আমাকে না চেনার ভান করে
অথবা আসলেই চিনতে না পেরে
দ্বিধার নদীতে ছিপ ফেলছি

কি ঘটছে ভেতরে আমার, আমি জানি না
আমি জানতাম না এসব কিছুই
আমার জানা ছিল না