মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

প্রথম চোখ

তোমার ভীত হাত টিস্যু ছেড়ে
আমার চোখ সরাতে পারেনি তোমার দুশ্চিন্তারা।
চুল উড়ে যায় জুনের সাত এ
শুকনো শরীরে প্রেম নাড়িয়ে।

আমি তো বসে ছিলাম আগ্রহের চূড়ান্তে
তুমি কেন দেখছিলেনা আমায়?
কি দোষ ছিল ঠোঁট দুটোর
কিসের এতো দ্বিধা তোমার ঠোঁটে?
বেশি কিছু তো আমার ছিল না চাওয়ার।
অবেলার রোদে গা পুড়িয়ে
একশ মাইল দূরে আমার পা ফেলা।
কিসের এতো অঙ্ক ছিল শরীরে
কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা??

কি দোষ ছিল ঐ ব্রিজটার
একটু পা ফেললে কি এমন হয়ে যেত?
একটু হাত ধরে দাড়াতে গা ঘেঁষে,
না হয় তুমি আধ কি এক ইঞ্চি লম্বা,
তা বলে কি
শরীরে তো প্রেম খুজিনি
প্রেম ছিল সব মনে।


কেন তুমি আমায় দেখছিলেনা?? 

তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
ঝিরিঝিরি হাওয়া এসে
প্রেম ওড়ে লাল জামায়

তাও তুই ছিলি বলে
রোদ এসে কড়া নেড়ে
ভবিষ্যৎ চশমার ফাঁকে

তাও তুই
তাও তুই

তাও তুই ছিলি বলে
আমার আলস্য কিছুক্ষণ ফোনে আড়ি পাতে
দুশ্চিন্তার দল পথ ভুলে অন্য গলিতে

তাও তুই


রবিবার, ১ জুন, ২০১৪

আমার জানা ছিল না

একই লাইনে দুটো রেল চলতে পারে কিনা আমি জানিনা
আমি জানতাম না
আমার জানা ছিল না।

কারো হাজার অপেক্ষা
কথার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষার মাঝেও
অন্য কারো চুপ করে বসে থাকা
একটা পছন্দও
রাতের বারান্দায় ঢুকতে পারে আমার জানা ছিল না

এ যেন একটা দ্বৈত চরিত্র
একই সাথে হাঁটছে, ঘুমাচ্ছে
কোনটা আমার আমি নিজেও জানিনা
এটা একদিকে অপরাধ
অন্যদিকে সত্য।

কোন ছায়ায় আমি ঢুকছি, বের হচ্ছি
প্রত্যেকটা পথ আমার কাছে অসংখ্য আশ্চর্যবোধক চিহ্নের সমাহার
সঠিক, বেঠিকের একটা প্রশ্ন
আমাকে প্রতি সেকেন্ডে আমার থেকে আড়াল করে
আরেকটা আয়নার, আরেকটা সত্যের মুখোমুখি দাড় করায়
আমি ঠিক এই সময়ে আমাকে না চেনার ভান করে
অথবা আসলেই চিনতে না পেরে
দ্বিধার নদীতে ছিপ ফেলছি

কি ঘটছে ভেতরে আমার, আমি জানি না
আমি জানতাম না এসব কিছুই
আমার জানা ছিল না